শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও অগ্নিসংযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
expand
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

ত্রায়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা কাজে বাধা, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া তার নিজস্ব বাসভবনে এই সংসদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের বাটজোর বাজারে গণসংযোগ শুরু করলে গত ২৫ জানুয়ারি বিকালে ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা তার ওপর এবং হরিণ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।

একই দিন সন্ধ্যায় ভালুকা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীকের সমর্থক আদি খান শাকিল ও রাফি উল্ল্যাহ চৌধুরীসহ একাধিক কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর করা হয় এবং একটি নোয়া গাড়ি আটকে রেখে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করা হয়। পরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আদি খান শাকিলের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে দুটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়।

একইভাবে হরিণ প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালীতেও হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক যানবাহন ও মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিডস্টোর বাজারে যুবদল নেতা শামীমের কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে শামীম ও খসরুসহ কয়েকজন আহত হন এবং ৭ থেকে ৮টি মোটরসাইকেল পুড়ে যায় বলে দাবি করা হয়।

এছাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে খান সোহাগের বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয় এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেজরভিটা এলাকায় তার কর্মী তিয়াস মাহমুদ শুভর বাসায় রাত ৯টার দিকে এবং পরবর্তীতে রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় দুই দফা হামলার অভিযোগ ওঠে। এ সময় বাসার গেট ভাঙচুর, গালাগালি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

ভালুকা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে হরিণ প্রতীকের সমর্থক হাজী এমদাদের বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি মোটরসাইকেল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। এছাড়াও মল্লিকবাড়ি, মেদুয়ারী, ভরাডোবা, কাচিনা, উথুরা ও রাজৈ ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় মহিলা কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়া হয় এবং প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত মাইক ও অটোরিকশা আটকে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হুমকির মুখে পড়ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X