

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুন্সীগঞ্জে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পাম্পে তেল নিতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস, লেগুনা ও পিকআপ ভ্যানের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
চালকরা জানান, কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই তেল পাননি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
একজন গাড়িচালক বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি নিয়ে তেল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি, কিন্তু এখনও তেল পাইনি। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করা না হলে বড় সমস্যায় পড়তে হবে।”
অনেক চালকের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। কিছুক্ষণ আগেও পাম্পে তেল দেওয়া হলেও হঠাৎ করে ‘তেল নেই’ বলে জানানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
আরেক চালক বলেন, “কিছুক্ষণ আগেও পাম্পে তেল দেওয়া হচ্ছিল। আমরা গ্যালন নিয়ে এসেছি, কিন্তু এখন বলা হচ্ছে তেল নেই। মনে হচ্ছে সিন্ডিকেট করে তেল বন্ধ রাখা হয়েছে।”
তবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের ট্যাংকেও তেল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। ডিপো থেকে তেল আনতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
মোহাম্মদিয়া ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ইয়ামিন রহমান জানান, সকাল থেকে গাড়িগুলোতে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে পাম্পের ট্যাংকে তেল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে পেট্রোল শেষ হয়ে গেছে এবং অকটেন ও ডিজেলও সীমিত পরিমাণে রয়েছে।
একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন নিমতলা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, গত দুই-এক দিনে পাম্পে নতুন করে তেল ঢোকানো যায়নি। ডিপোতে তেল আনতে গিয়ে লরিগুলো প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। শনিবার ডিপো বন্ধ থাকায় তেল আনা সম্ভব হয়নি। তবে আগামীকাল তেল আনতে পারলে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হঠাৎ তেলের সংকটে জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী চালকরা।
মন্তব্য করুন