

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী(বিএনসএফ) এর গুলিতে আলী হোসেন (৪৫) নিহতের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে ৮৭৪/৫-এস নং পিলার এলাকায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকে দুঃখ প্রকাশ করে বিএসএফ।
এর আগে মঙ্গলবার(৭ এপ্রিল) দিনগত মধ্যরাতে ওই সীমান্তে গুলির ঘটনা ঘটে। নিহত আলী হোসেন ওই সীমান্ত এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
বিজিবি ও সীমান্তবাসী জানান, ভারতীয় চোরাচালানীদের সহায়তায় ধবলগুড়ি সীমান্তে ৮৭৪/৫-এস নং পিলার এলাকা শুন্যরেখায় অবস্থান করে ভারতে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা করে ৭/৮ জন চোরাচালান চক্রের একটি দল। তাদেরকে তাড়িয়ে দিতে প্রথমে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৫৬ ব্যাটালিয়নের সাতগ্রাম ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে চক্রটি ভারতের ৫শত গজ অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করায় দ্বিতীয়বার এক রাউন্ড গুলি ছুড়ে বিএসএফ। সেই গুলিতে বিদ্ধ হয়ে আলী হোসেন ঘটনাস্থলে মারা যায়। বাকীরা পালিয়ে আসলেও আলী হোসেনের লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।
এ ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহবান জানালে বিএসএফ সাড়া দেয়। বৈঠকে গুলির সত্যতা স্বীকার করে বিজিবি'র কাছে দুঃখ প্রকাশ করে আগামীতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার প্রতিশ্রুতি দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম এবং বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্বে দেন ১৫৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট শ্রী সৌরভ ও একজন স্টাফ অফিসার।
পতাকা বৈঠক শেষে প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) তিস্তা ৬১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল সৈয়দ ফজলে মুনিম বলেন, বিএসএফ বৈঠকে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, "আলী হোসেনসহ প্রবেশকারীদের সতর্ক করতে প্রথমে ফাঁকা গুলি করে। পরে তারা ভারতে প্রবেশ করে বিএসএফ সদস্যের উপর আক্রমণ করলে আত্মরক্ষার্থে গুলি করতে বাধ্য হন বিএসএফ। এতেই আলী হোসেন নিহত হয়েছে"। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ বাংলাদেশে পাঠাবে বলেও বৈঠকে জানিয়েছে বিএসএফ।
মন্তব্য করুন