

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দাঁড়িপাল্লার ব্যালট ধানের শীষের ভিতরে দিয়ে বান্ডিল করা হয়েছে, যা চ্যালেন্স করেও এজেন্টকে গুণতে দেয়া হয়নি। এমন অভিযোগ তুলে ভোট পুনগণনার দাবি করেছেন লালমনিরহাট ২ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু।
শনিবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের গিলাবাড়ি গ্রামে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু বলেন, আমার এজেন্টদের কাছ থেকে আগাম ফলাফল সীটে স্বাক্ষর করে নিয়েছে প্রিজাইডিং অফিসার। ফলাফলের পরে যে সীট সরবরাহ করা হয়েছে তা ভিন্ন এবং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেই। ভোট সংখ্যার অভাররাইটিং এবং কথায় লেখা হয়নি। দাঁড়িপাল্লার ব্যালট ধানের শীষের বান্ডিলে ভড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এজেন্টদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও ধানের শীষের বান্ডিল গুণতে দেয়া হয়নি।
লাভলু বলেন, আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের দুড়ারকুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গণভোটের ব্যালটের চেয়ে ১৬১ ভোট বেশি কাস্ট দেখানো হয়েছে। গণভোটের সাথে অমিল থাকার মানে প্রিজাইডিং অফিসাররা গণনায় কারচুপি করে জনগনের রায়কে পরিবর্তন করেছে। ফলে কারচুপির এ ফলাফল আমরা প্রত্যাক্ষান করছি। আমরা ভোট পুনগননার জন্য শুক্রবার রাতেই রির্টানিং অফিসার বরাবরে তথ্য উপাত্তসহ আবেদন করেছি। যার কপি নির্বাচন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা আদালতে যাব, প্রয়োজনে সর্বচ্চ আদালতে যাব।
পরাজিত প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু বলেন, বিএনপি'র সিনিয়র নেতারা এজেন্টের তালিকা দেয়ার নাম করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে রুদ্ধদাঁড় বৈঠক করে এসব নীলনকশা করে জনগনের রায়কে পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তি আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি ঘরে, মাদরাসায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি'র লোকজন। প্রশাসনের তেমন ভুমিকা দেখছি না বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একই দাবিতে শুক্রবার রাতে নিজবাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লালমনিরহাট ১ আসনের জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু। তিনিও ভোট পুনগণনার দাবিতে রির্টানিং অফিসার বরাবরে আবেদন করেছেন।
রির্টানিং অফিসার লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তাদেরকে বলেছি, আমাদের কিছু করার নেই। তাদেরকে নির্বাচন কমিশনে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন
