

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী ( সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে।আন্তর্জাতিকভাবে এটার স্বীকৃতিও রয়েছে। জাতিসংঘ বলছে যে আওয়ামী লীগ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের অধ্যায় ক্লোজ হয়ে গেছে। নতুন করে বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নাই। কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলাম সহযোগীতা করছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙা কবরস্থানে বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খাঁন বলেন,জ্বালানী সংকট একটি জাতীয় সংকট। জাতীয় সংকটকে পুঁজি করে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোট লংমার্চ করছে। এতে দেশে জ্বালানী তো আরও বাড়বে। আপনারা সরকারকে সহযোগীতা করুন। আপনারা যদি এই ভাবে লংমার্চ করেন, রাষ্ট্রকে অশান্ত করেন, তাহলে তো আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে।
জামায়াতে ইসলামকে দাঁয়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার ইঙ্গিত দিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনা তো অপেক্ষা করছে। জামায়াত কতদিনে কত সময়ে রাষ্ট্রকে অশান্ত করে। জামায়াতের ওপর নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার। আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে শহীদ আবরার ফাহাদকে যেভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সেইভাবে আমাকে আপনাকে হত্যা করবে। আমার কাছে মনে হয় জামায়াত আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার জন্য এক ধরনের চক্রান্ত করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ সোচ্চার রয়েছে।
জামায়াত যদি মনে করে আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে ৯৬ এর মতো বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। তাহলে এদেশের জনগণ জামায়াতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে-এমন মন্তব্য করে রাশেদ খাঁন বলেন,আমার স্পষ্ট কথা যে সংগঠনটি শহীদ আবরার ফাহাদকে খুন করেছে। ওই সংগঠন এবং ওই দলের আর বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নাই। জামায়াত চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগকে আর বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে পারবেনা। আমরা যারা আধিপত্য বিরোধী, আবরার ফাহাদের চেনতাকে ধারণ ধারি। তারা আমরা অবশ্যয় রাজপথে থাকব। রাজপথে থেকে আওয়ামী লীগের সকল অপতৎপরতাকে মোকাবেলা করব।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন,আবরার ফাহাদের চেতনা বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হচ্ছে। খুনি হাসিনা এবং শহীদ হাদীর আসামিদের ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ভারত তার অবস্থান স্পর্শ না করলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন না। তার মানে কি? এটিই তো আবরার ফাহাদের চেতনা। বিএনপি সরকার আবরার ফাহাদের চেতনাকে ধারণ করে। এই জন্য তো আমরা ভারতের সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলছি। অতীতের রাখীবন্ধন ছিন্ন করে আমরা ভারতের সাথে সম্মান এবং মর্যাদার সম্পর্ক গড়তে চাই।
তিনি আরও বলেন,বিএনপি সরকার আবরার ফাহাদের চেতনা বাস্তবায়নে কাজ করছে। কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার স্টেডিয়ামসহ সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থাপনাদি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় তার নামে হল করা হয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে ইনশাআল্লাহ।
এসময় শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার, কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।



