সোমবার
১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামলার পর সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করলেন আমির হামজা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত।
expand
ছবি : সংগৃহীত।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা অভিযোগ করেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অস্থিতিশীল করতেই পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত গণ অধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আমির হামজা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানান সংসদ সদস্য আমির হামজা। দাবিগুলো হলো— হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত গণ অধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমির হামজা বলেন, ‘এই জেলার প্রশাসন নিষ্ক্রিয় এবং ব্যর্থ। এই জেলার যারা দায়িত্বে আছে, প্রশাসনে যে যেখানে দায়িত্বে আছে, সব ব্যর্থ। এদের দ্বারা নিরাপত্তা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমাদের নেই।’

আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে। আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বরের কাছে এজাহারটি জমা দেন।

এজাহারে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের আসামি করা হয়েছে। এতে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর দুপুর ১২টার দিকে বলেন, তাঁরা এজাহার পেয়েছেন। মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

হামলার সময় তার গাড়ি থেকে লাঠি বের করার বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আমির হামজা বলেন, তার গাড়িতে সব সময় দুটি লাঠি রাখা থাকে। কারণ, এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স হয়নি এবং সরকারিভাবে কোনো বডিগার্ডও দেওয়া হয়নি বা তিনি নেননি।

নিজের নিরাপত্তার জন্যই লাঠি দুটি গাড়িতে রাখা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, হামলার সময় তার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank