

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২৫ শে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে তিনদিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কুঠিবাড়ির মুলমঞ্চের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন কুষ্টিয়া-১ আসনের এমপি রেজা আহমেদ, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি আফজাল হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ-বিন-হাসান প্রমুখ।
এসময় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, রবীন্দ্র কুঠিবাড়িকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে যৌথভাবে সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা হচ্ছে। কুঠিবাড়ি বাংলাদেশে সংস্কৃতিতে অনন্য জায়গা দখল করে আছে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অন্তভুক্ত যতদর্শনীয় জায়গা আছে সেসব স্থানগুলোকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে।
পরে বিশ্বকবি রচিত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এদিকে তিনদিনের এই জন্ম উৎসবকে ঘিরে রবীন্দ্রপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিরে মুখর এখন কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গন। এবারের আয়োজনকে ঘিরে তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় অনুষ্ঠান মালার মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কবিতা আবৃতি ও নৃত্য পরিবেশনা করা হয়। আর এই উৎসবকে নির্বিগ্ন করতে কয়েকস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য,জমিদারী দেখাশোনার জন্য ১৮৯১ সালে প্রথম এই কুঠিবাড়ীতে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নিরিবিলি পরিবেশ,জমিদারী আর ব্যবসার কারণে বার বার কুষ্টিয়ার এই কুঠিবাড়িতে ফিরে আসতেন তিনি। নিভূত বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কবীর জীবনের বেশকিছু মূল্যবান সময় কেটেছে। এখানে বসে রচিত গীতাঞ্জলি কাব্যই রবীন্দ্রনাথকে এনে দিয়েছে নোবেল পুরষ্কার আর বিশ্বকবির মর্যাদা। এছাড়াও তিনি এখানে বসেই আমাদের জাতীয় সঙ্গীতসহ অসংখ্য কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন। কুঠিবাড়িতে সংরক্ষন আছে সেসব দিনের নানা স্মৃতি।