

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ইসলামিক বক্তা মুফতি মাওলানা আমির হামজা বলেছেন, আমি আয়না ঘরে ও ফাঁসির কন্ডেম সেলে ছিলাম অনেক বছর। আমাকে মেরে না ফেললে আমার বিরুদ্ধে ৬৪ কেন ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও আমাকে নির্বাচনের পথ থেকে সরানো যাবেনা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,আমরা নিজের জন্ম এই থানাতেই। আমি কি কি করতে চাই সেগুলো আগেই জানিয়ে দিতে চাই। বহু মানুষ বহু কথা আমাদের কানে তুলে দিচ্ছে।বিভিন্ন জায়গায় কথা উঠছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন বন্ধুরা সেই ১৩ সাল ১৫ সাল ১৭ সাল ২৩ সালের বক্তব্য গুলো কাটিং কুটিং করে তারা উল্টো পাল্টা ভুলভাল মানুষকে বুঝিয়ে তারা একটা রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য মানুষের ভেতরে ভৃতি এবং একটা ষড়যন্ত্র ঢুকিয়ে দেওয়ার তারা মামলা বানিজ্য আরম্ভ করেছে।
আমির হামজা বলেন,৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা।আমর এই থানা বিক্রি করলে এত টাকা হবে।পাগলা কুকুরে কামড় দিলেও মানুষ এই রকম ক্ষেপা ক্ষেপে না।আপনারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সাহেবের কাছে শুনছিলেন না উনারা ঝাটা মিছিল করেছে মহিলাদেরকে নিয়ে। যেই মহিলা নেতৃত্বে ছিল বটতৈল ক্যানেন পাড়ার উনি মাদক ব্যবসায়ী। ২০ বারের উপরে এই মহিলা শুধু মাদকের কারণেই আর ফেনসিডিলের কারণে জেলে গেছেন।আপনাদের জনসমর্থন এত তলানিতে যে মাদক ব্যবসায়ী ভাড়া করা লাগবে ৩০০ টাকা দিয়ে।
হামজা বলেন,ন্যায় বিচার এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প এই দেশে অন্য কোন দল আমাদের সামনে আমরা দেখতে পাই না। আমাদের বিভিন্ন মসজিদের কিছু ইমামদের বলতে শুনেছি এরা আল্লাহর আইন চাই না। এজন্য একটা ইসলামিক দল তাদের থেকে বেরিয়ে গেছে। আমাদের ব্যানারে দেখেন লেখা আছে, আল্লাহর আইন চাই।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজেও যেমন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বহু মানুষ এখন নিরাপদে নেই। মরহুম এরশাদ একটা কথা বলেছিলেন ঘরে থাকলে খুন হয় আর বাইরে গেলে গুম হয়। এই দৃশ্য আর আমরা আগামীতে বাংলাদেশে দেখতে চাই না। আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছিলাম ছিলাম এই ফ্যাসিস্টদের সময় হয় খুন হয়ে গেছে নয় গুম হয়ে গেছে আর না হয় কোথায় গেছে কেউ বলতে পারে না। সামনে যদি আর এ দিন ফিরিয়ে আনতে না চান তাহলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েন।
এসময় নির্বাচনী জনসভায় জেলা ও উপজেলা জামায়াতে বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন
