

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


একটি অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করে পুলিশি হয়রানি ও মারধরের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের আন্না খাতুন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলা সংশ্লিষ্ট না হয়েও তার পরিবারকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
আন্না খাতুন জানান, গত ৮ জানুয়ারি একই গ্রামের তসলিম আলম লিতুন তার স্কুলপড়ুয়া কন্যা শাহরিয়া মুন পাখিকে অপহরণের অভিযোগ এনে তার স্বামী রবিউল ইসলাম ও ছেলে আহম্মেদ অন্তরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন বলে দাবি করেন তিনি।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, উভয় পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুবাদে আহম্মেদ অন্তর ও মুন পাখির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পরিবারই তা মেনে নেয়নি। এরপর কয়েক দফা মুন পাখি নিজে থেকেই তাদের বাড়িতে এসে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, “আমার ছেলে কাউকে অপহরণ করেনি। আমি ও আমার স্বামী অপহরণে কোনো সহযোগিতা করিনি। এরপরও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত ৩ ডিসেম্বর মুন পাখি বাড়ি ছেড়ে আমাদের বাড়িতে আসে, আমরা তাকে বাড়ি ফেরত যেতে বললেও সে শোনেনি। পরে সে আমার ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর থেকে ছেলে ও মেয়ের কোনো যোগাযোগ আমাদের সঙ্গে নেই।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মুন পাখিকে উদ্ধার করতে না পেরে পুলিশ তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। বাড়িতে হানা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া, মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া এবং মারধরের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে বাঘারপাড়া থানার এসআই প্রসেনজিৎ এর নেতৃত্বে পুলিশ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ছোট ছেলে বায়জিদকে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই প্রসেনজিৎ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তারা মামলার সুবিধা নেওয়ার জন্য এসব প্রচার করছে।”
মন্তব্য করুন