

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ ১৭৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিয়া (৫৭)। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পেলে জেলগেটে তাকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেন ফরিদপুর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম বাবুল।
ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসনে কেটে নেয়ার প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
রোববার (৮ মার্চ) জেলমুক্তির পরে চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞাকে জেলগেটে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে তারা একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।
কারামুক্তির পরে ইউপি চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিয়া বলেন, আমার জেল মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
অন্যদিকে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল রোববার বিকালে তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তারকৃত আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সবাইকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করবো। আলহামদুলিল্লাহ আজকে সিদ্দিক চেয়ারম্যান মুক্ত হলো। আমি নিজে জেলগেটে থেকে তাকে রিসিভ করলাম।’
মন্তব্য করুন
