

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন গোলাম রাফসানী।
কিন্তু লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে থাকা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিলেন না তিনি। এতে সন্দেহ হয় ভাইভা বোর্ডের। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ।
অবশেষে ভাইভা বোর্ডের কাছে নিজে লিখিত পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, তাঁর হয়ে লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিলেন ফয়সাল আহমেদ নামের একজন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। গত ২৮ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর আগে ৯ জানুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সেটির ফল প্রকাশিত হয় ২১ জানুয়ারি। জেলায় মোট ২ হাজার ৫০০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। রোববার চারটি ভাইভা বোর্ডে ৪০০ জনের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গোলাম রাফসানী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের ডুগডুগী বাজার এলাকার বাসিন্দা। তাঁর মতো মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে একই অভিযোগে আটক হয়েছেন আরও ১০ জন।
তবে প্রত্যেককেই অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, রোববার মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি স্বীকার করেন অপর চাকরিপ্রত্যাশী মানস চন্দ্র রায়। তাঁর বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।
লিখিত পরীক্ষায় ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মানিরুল ইসলাম রুবেল নামের এক ব্যক্তি তাঁকে ডিভাইস সরবরাহ করেছিলেন। দিনাজপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছি। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কয়েকজন কর্মচারীসহ কয়েকজন শিক্ষকও জড়িত। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
মন্তব্য করুন
