

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শরীয়তপুরের জাজিরায় ঢাকার এক সিনিয়র সাংবাদিকের পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
এছাড়া গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই সাংবাদিকের বৃদ্ধ বাবা শামসুল হক হাওলাদার (৭০) ও বড়ো ভাই কাশেম হাওলাদার (৪০)-কে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের গয়জদ্দিন আকনের কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শামসুল হক হাওলাদার (৭০) এর ছেলে মোঃ মাহবুব আলম সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে জাতীয় একটি ইংরেজি গণমাধ্যমের ক্রাইম চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এমতাবস্থায়, স্থানীয় পর্যায়ে কোন ধরনের গ্রাম্য অপরাজনীতিতে না জড়ানোর পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা আইনগতভাবে সমাধানের চেষ্টা করায় বেশ বিপাকে পড়েছে তার পরিবার। এর আগেও একবার তাদের বাড়িতে ডাকাতের ছদ্মবেশে গিয়ে তার ছোটবোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং সেই ঘটনায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
সবশেষ গত মঙ্গলবার সাংবাদিক মাহবুব আলমের বয়স্ক বাবা ও বড়ো ভাইকে মারধর করে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসীরা। পরে চিকিৎসা নিতে গেলে দেখা যায়, মাহবুব আলমের বাবার হাতে ভাঙ্গা ফ্রাকচার হয়ে গিয়েছে। যার ফলে, জাজিরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন সাংবাদিক মাহবুব আলম নিজে বাদী হয়ে। এমনকি থানা থেকে ফেরার সময় সাংবাদিক মাহবুব আলমকেও মারার জন্য পথিমধ্যে অবস্থান নেয় সন্ত্রাসীরা।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক মোঃ মাহবুব আলম জানান, আমার পরিবার স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী না হওয়ায় নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এমনকি ডাকাতির বেশ ধারণ করে আমার বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আবার আমার বৃদ্ধ বাবাকে পর্যন্ত এই দফায় মারধর করলো। তাই আপাতত থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত শামিম মাদবরের মুঠোফোনে কল দিলেও শামিম মাদবরকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী সাজেদা বেগম (৩৫) কল রিসিভ করলে এসকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে কেউ মারধর করেনি, এগুলো মিথ্যা অভিযোগ। তারা কিছু হলেই থানা-পুলিশ করে।
জাজিরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আঃ সালাম বলেন, আমরা অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে মামলা গ্রহণ করে সর্বোচ্চ কঠোরভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।