

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, প্রশাসনের বর্তমান আচরণ দ্বিচারিতামূলক। এতে করে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে আমরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি।
হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, ওই আসনের এক প্রার্থী ব্যাংক ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও হলফনামায় সেই তথ্য গোপন করেছেন।
তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করলেও তা পরিশোধ করেননি। পাশাপাশি হাইকোর্টের একটি স্থগিতাদেশের তথ্যও গোপন রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনী বিধিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে কোনো প্রার্থী যদি নির্ধারিত ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করেন, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান আছে। আমরা প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করেছি। এরপরও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু বাস্তবে মনে হচ্ছে, প্রশাসন বিএনপির দিকেই ঝুঁকে পড়েছে।’
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান সংশ্লিষ্টদের আইন অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দেন।
যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসনাত আবদুল্লাহ ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেন। পরে দুই প্রার্থী পরস্পরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন
