

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল আসক্তি ও অনৈতিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে মসজিদমুখী করার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ‘হোসাইন ফাউন্ডেশন’। টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় পুরস্কার হিসেবে ৩৭ জন কিশোর ও যুবকের হাতে বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ফজর নামাজের পর ফটিকছড়ি উপজেলার ১৯ নং সমিতিরহাট ইউনিয়নের উত্তর নিশ্চিন্দাপুর বাইতুর রশিদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা, অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখা এবং বর্তমান সময়ের বড় ব্যাধি ‘মোবাইল আসক্তি’ থেকে দূরে রাখতেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে হোসাইন ফাউন্ডেশন। এলাকার সাতটি মসজিদের মোট ৩৭ জন প্রতিযোগী এই চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে দ্বীন ইসলামের প্রতি ধাবিত করা এবং মোবাইল আসক্তি ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যেই এই ‘৪০ দিনব্যাপী নামাজ প্রতিযোগিতা’র আয়োজন। এতে এলাকার সাতটি মসজিদের মোট ৩৭ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করার ওপর ভিত্তি করে বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হয়।
প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারকারী ৭ জন বিজয়ীর প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি করে নতুন বাইসাইকেল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারকারী ১৪ জনকে ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট ও স্ট্যাম্পসহ ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়া বাকি ১৬ জন অংশগ্রহণকারীকে নগদ ৫০০ টাকা করে প্রদান করে হোসাইন ফাউন্ডেশন।
মাওলানা মিজানের সঞ্চালনায় এবং মাওলানা হাসানের মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত অতিথিরা ফাউন্ডেশনের এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, বর্তমান কিশোর গ্যাং ও ডিজিটাল আসক্তির যুগে তরুণদের সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে এমন আয়োজন সারা দেশে মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা বাহাদুর, কামাল পাশা মিঠু, প্রবাসী মোহাম্মদ মুসা, মাওলানা নুরুদ্দিন, কামরুল হাসান বাপ্পু, মাওলানা শহিদুল্লাহ, মো. হারুন, ইঞ্জিনিয়ার শমসু, শিক্ষক পিয়ারুল, জসিম, মাওলানা হাকিম, মাওলানা লোকমানসহ আরও অনেকে।
পুরো আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হোসাইন ফাউন্ডেশন পরিবারের সদস্য মোহাম্মদ মাকসুদ ও মাহমুদ।
আয়োজক সংস্থা হোসাইন ফাউন্ডেশন জানায়, ভবিষ্যতেও তরুণদের দ্বীন ইসলামের প্রতি ধাবিত করতে তাদের এ ধরণের সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন