

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগসাজশ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি মডেল থানার পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা হলেন—উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ হোসাইন (বিপি নং-৮৮০৭১২২৩৪৪), সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শহিদুল্লাহ (বিপি নং-৮৪০৩১১১৪৯১), কনস্টেবল শরিফ উদ্দিন (বিপি নং-৯৬১৫১৭৮৭৩৭), গাড়িচালক নজরুল ইসলাম (বিপি নং-৮২০১০৮৮৪১৮) এবং কনস্টেবল ইসতিয়াক (বিপি নং-৯৪১৪১৬৯৪৪৪)।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৮ জুলাই। ওই দিন শাহরাস্তি উপজেলার আয়নাতলি বাজারে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মিজানুর রহমানকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পুলিশের সঙ্গে কথোপকথন, অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।
এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ সদস্যদের মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শাহরাস্তি মডেল থানায় কর্মরত ওই পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে তদন্ত চলাকালীন গত ৩ আগস্ট এএসআই শহিদুল্লাহ এবং ৫ আগস্ট কনস্টেবল শরিফ উদ্দিনকে কুমিল্লায় বদলি করা হয়েছিল। পরে প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদেরসহ মোট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
চাঁদপুর জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তারা চূড়ান্তভাবে অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

