

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা, কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ৯ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোলার ঐতিহ্যবাহী সরকারি স্কুল মাঠে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল রাজধানীর বেসরকারি স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঢাকায় প্রথম জানাজা শেষে আজ দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ নিজ জেলা ভোলায় নিয়ে আসা হয়।
ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জনাব রাইসুল আলম। তারা তোফায়েল আহমেদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ জানাজায় শরিক হয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
জানাজা শুরুর আগে তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবন ও ভোলার উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করে আবেগঘন বক্তব্য দেন সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ইউনুস মিয়া।
তিনি বলেন: "তোফায়েল আহমেদ কেবল ভোলার নন, তিনি ছিলেন পুরো বাংলাদেশের এক অনন্য সম্পদ। তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও জনবান্ধব একজন মানুষ। তার এই চলে যাওয়া দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করেন।"
ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে আয়োজিত এই বিশাল জানাজায় ইমামতি করেন ভোলা খলিফাপট্টি জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব মাওলানা মুজিব উদ্দিন।
জানাজা শেষে উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে এই মহান নেতাকে বিদায় জানান। এরপর তার মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে বলে জানা গেছে।