

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। ১৯ বছর বয়সী ওই নারী বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত ফেরদৌস হাওলাদার (৩০)কচুয়া সদর ইউনিয়নের বারুইখালী গ্রামে কেরামত হাওলাদারের ছেলে ও কিবরিয়া খন্দকার (২৫) একই গ্রামের বাসার খন্দকার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তাদের আটক করা হয় ।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নারী গত প্রায় দুই মাস ধরে কচুয়া সদর ইউনিয়নের বারুইখালী গ্রামে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তার স্বামীর বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলায়।
অভিযোগ রয়েছে, গত ১০ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার কেরামত হাওলাদারের ছেলে ফেরদৌস হাওলাদার ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত (স্পিড) ও মাদক সেবন করিয়ে তাকে অচেতন করে। পরে কিবরিয়া খন্দকার, ফেরদাউস হাওলাদারসহ একাধিক ব্যক্তি তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মনি শংকর পাইক জানান, সকালে ভুক্তভোগী নারী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুলিশি পাহারায় তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আটকের আগে অভিযুক্ত ফেরদৌস হাওলাদার ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
এর আগে কচুয়া উপজেলার বারুইখালি এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট অ্যাড, নয়নকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা মামলার,চার্জশিটভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন ফেরদৌস হাওলাদার। ওই মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চৌরাস্তা এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত ফেরদৌস হাওলাদারকে এবং কিবরিয়া খন্দকারকে কচুয়া থেকে আটক করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন