

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তিন ইউনিটবিশিষ্ট ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উত্তরের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সুবিধাভোগীরা। এছাড়াও লো ভোল্টেজ কারণে কৃষিজমিতে সেচও দিতে পারছেন না কৃষকরা। ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লো ভোল্টেজের কারণে কৃষিজমিতে পর্যাপ্ত সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। এরকম চলতে থাকলে আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন চাষীরা। জানা গেছে, গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আর ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুই নম্বর ইউনিট। এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এক নম্বর ইউনিটটি এ সপ্তাহের মধ্যে চালু হতে পারে। তিন নম্বর ইউনিট কবে চালু করা সম্ভব হবে–এটি বলা যাচ্ছে না। ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি চালু অবস্থায় প্রতিদিন গড়ে ১৬০ থেকে ১৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। তৃতীয় ইউনিটের গভর্নর ভাল্ব স্টিম সেন্সরের চারটি টারবাইন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিট দিয়ে প্রতিদিন ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছিল। সেটিও গত শনিবার রাতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন