

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কুমিল্লা মহানগর শাখা এবং জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আহ্বায়ক ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম এবং কেন্দ্রীয় জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ আহমেদ মাসুদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাসাস কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি ডা. আফশান আনিস। সঞ্চালনা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হক সোহেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি বলেন, সংস্কৃতি হলো একটি জাতির দর্পণ। আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অপসংস্কৃতির ভিড়ে তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করতে জাসাসসহ সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রধান বক্তা জনাব মনিরুল হক চৌধুরী, এমপি তাঁর বক্তব্যে কুমিল্লার গৌরবময় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা স্মরণ করে বলেন, গুণী শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতা ও জাতীয় পর্যায়ে তাঁদের মূল্যায়নের মাধ্যমেই একটি মেধাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে অতিথিদের বরণ, উদ্বোধনী নৃত্য ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক দলীয় সংগীত, নৃত্যনাট্য, সমবেত আবৃত্তি, নজরুলের গণসংগীত, শচীন দেব বর্মণের জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন এবং জুলাই আন্দোলনভিত্তিক একটি বিশেষ ডিসপ্লে উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে গুণী শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অতিথিদের বক্তব্য ও সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
