

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় সালিশি বৈঠকে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে এলাকায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে আতাউল্লাহর পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে জাহাঙ্গীর আলমসহ পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।