

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত দুইদিনে খাগড়াছড়িতে কালবৈশাখী ঝড়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। এতে মাঠের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে দীঘিনালার মেরুং এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গতকালের ঝড়ো হাওয়া ও টানা বৃষ্টির কারণে নিচু জমি প্লাবিত হয়ে গেছে। মাঠের পাকা ধান বাতাসের তোড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ঘরে আনার জন্য কেটে রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে গেছে। পাকা ধান ঘরে তোলার পূর্বমুহুর্তে ঝড় বৃষ্টি খাগড়াছড়িতে কৃষকের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে।
এদিকে জেলার মহালছড়ি ও পানছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিচু জমিতে চাষাবাদ করা ধান ও অন্যান্য মৌসুমি ফসল তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রান্তিক কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, “সারা বছর কষ্ট করে যে ফসল ফলাই, সেই ফসলই এবার ঘরে তুলতে পারলাম না। কালবৈশাখীর এক ঝড়ে সব শেষ হয়ে গেল।”
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের পক্ষে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। তারা জরুরি ভিত্তিতে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবার প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কৃষিতে তাদের ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করেছেন। এতে জেলার চাষকৃত পাকা ধান ২২১ হেক্টর, সবজি ৬৩ হেক্টর ও ফলবাগান ৫৪৮ হেক্টর বলে জানিয়েছেন।
কৃষকরা এই ক্ষতির ফলে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছেন এবং সরকারি সহযোগিতার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন