

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক চিকিৎসকের ওপর হামলা ও জরুরি বিভাগের আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সোমবার (৩০ মার্চ) পুলিশ একজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে বিষপান করা এক রোগীকে মুমূর্ষু অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এ সময় জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা অনুপম মজুমদারের সঙ্গে রোগীর অবস্থা নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে তারা চিকিৎসকের ওপর চড়াও হয়ে চেয়ার ও কাঠের টুল দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। একই সঙ্গে জরুরি বিভাগের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ভাঙচুর করে। পরে সহকর্মীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত চিকিৎসককে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মোংলা থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার সকালে মো, হাফিজুর রহমান মানিক হোসেন (৩৭) নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো, শাহিন এ ঘটনাকে দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, হাসপাতালের ভেতরে এ ধরনের সহিংসতা স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং চিকিৎসক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
অন্যদিকে অভিযুক্তদের একজন মোহাম্মদ সজীব মিয়া শান্ত দাবি করেছেন, মুমূর্ষু রোগী ফেলে রেখে চিকিৎসক মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই সেখানে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
তদন্ত কর্মকর্তা মোংলা থানার উপপরিদর্শক মো, মহররম আলি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন