

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে ৪১০ কেজি নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছসহ দুটি ফিশিং ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ২২ জন জেলেকে আটক করা হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে আটক জেলেদের নিয়ে বন বিভাগের সদস্যরা লোকালয়ে ফেরেন।
এর আগে শুক্রবার গভীর বনাঞ্চলের মান্দারবাড়িয়া অভয়ারণ্য এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, জেলেরা অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছিলেন।
অভিযানকালে দুটি ট্রলার থেকে দড়িবড়শি, বরফের বক্সসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ৪১০ কেজি নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছ জব্দ করা হয়েছে।
আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত ট্রলার ও সরঞ্জাম বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জব্দ মাছ মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হবে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।
আটক জেলেরা হলেন—পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার আলীপুর গ্রামের জামাল হওলাদার (৩২), মো. কালু (৪৮), করহাদ (৩০), মো. ইয়াছিন খান (৪০), দুলাল গাজী (৩০), মো. হানিফ হাওলাদার (৪০), রাজীব হাওলাদার, ইব্রাহিম; মহিপুর গ্রামের মো. ছোমেদ (৪৫); চাপলি গ্রামের মো. রাসেল (৩০); তালতলী থানার তালতলী গ্রামের ইসমাইল; পটুয়াখালী সদরের দক্ষিণ বড়বিঘা গ্রামের মো. শরিফ মিয়া এবং বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার কোদালীয়া গ্রামের মো. শফিকুল খান (২০)সহ মোট ২২ জন।
তবে আটক জেলেদের দাবি, কুয়াশার কারণে তারা পথ ভুলে মান্দারবাড়িয়া এলাকার কাছাকাছি চলে আসেন। এ সময় বন বিভাগের একটি টহল দল তাদের আটক করে।
বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সময় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়া আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। আইন অমান্য করে বনসম্পদ আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
