

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বেশ কিছুদিন ধরেই শীতের তীব্রতা বেড়েছে নড়াইলে। হিমেল হাওয়ার সাথে সাথে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। এসব কারণে শুধু মানুষের জীবনযাত্রাই নয় ব্যাহত হচ্ছে কৃষির উৎপাদনও।
নড়াইলে অতিরিক্ত শীত ও ঘন কুয়াশা থাকায় ব্যাহত হচ্ছে মধু চাষ। দিনের বেলায়ও মৌমাছি বাক্স থেকে বের হচ্ছে না। এতে করে বাইরে থেকে মধু সংগ্রহ বন্ধ করেছে মৌমাছিরা। উপরন্তু আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখা মধুও তারা খেয়ে ফেলছে। ফলে লোকসানের আশংকায় পড়েছে মধুচাষিরা।
আবহাওয়া এমন চলতে থাকলে লোকসান অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সরেজমিন নড়াইল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিলে গিয়ে দেখা গেছে, সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহে শত শত মধুর বাক্স বসানো আছে। তবে মধুর বাক্সগুলোর বাইরে মৌমাছির তেমন আনাগোনা নেই।
মধু চাষি মো. শম্পি সরদার বলেন, দিনে কুয়াশা থাকায় বাক্সগুলো থেকে মৌমাছি বের হচ্ছে না। বেশি পরিমাণ মধু সংগ্রহে রোদ ও কুয়াশার দরকার। রাতে কুয়াশা নামলে আর দিনে রোদ হলে মধু সংগ্রহ বেশি হয়।
আরেক খামারি মো. ইনামুল হক বলেন, দিনে কুয়াশা থাকায় খামারের মৌমাছি বাক্স থেকে বের হয় না। বের হলেও খুবই কম মৌমাছি বের হয়। এতে মৌমাছি জমানো মধু খেয়ে ফেলে। এবছর অতিরিক্ত শীত ও কুয়াশার কারনে অনেক মৌমাছি মারা যাচ্ছে।
আরেক চাষি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে এবছর মধু উৎপাদন কম হবে বলে মনে হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে যদি আবহাওয়া অনুকূল হয়, তাহলে হয়তো সমস্যার সমাধান হতে পারে। তা না হলে মধু উৎপাদন কমে যাবে।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান বলেন, আবহাওয়া বৈরী থাকায় মধু উৎপাদনে কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা আশা করছি এবছর ১০ মেট্রিক টন বা তার বেশি মধু উৎপাদন হবে। মধু চাষিদের আমারা খাটি মধু উৎপাদনে কারিগরি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন
