

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে এবার প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে ৩৮টি। এরমধ্যে একজন দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে মোট ৩৭ জন ভোটের মাঠে আসছেন। এদের মধ্যে ৩৪ জনই উচ্চশিক্ষিত। অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থী এবার উচ্চশিক্ষিত।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রার্থীদের মধ্যে চারজন চিকিৎসক রয়েছেন। এরমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আব্দুল বারী সরদার চিকিৎসক।
এছাড়া রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ ও রাজশাহী-২ আসনের নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মোহাম্মদ সামছুল আলম পেশায় চিকিৎসক। তারা এমবিবিএস ও এর পাশাপাশি অন্যান্য ডিগ্রিধারী।
রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থী স্নাতকোত্তর বা সমমান পর্যায়ের সনদধারী। এদের মধ্যে এমবিএ করা শাহাবুদ্দিন রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
অন্যদের মধ্যে আটজনের স্নাতক বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। আর একজন করে প্রার্থী রয়েছেন অষ্টম শ্রেণি, এএসএসি ও এইচএসসি পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে।
বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন স্নাতক, রাজশাহী-২ আসনের মিজানুর রহমান মিনু বি.কম, রাজশাহী-৩ আসনের শফিকুল হক মিলন এমএসএস, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের ডিএমডি জিয়াউর রহমান এমএ, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের নজরুল ইসলাম এমএ এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।
রাজশাহী-৬ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম সুরুজ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। আর রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষকলীগের নেত্রী ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবা বেগমের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি।
প্রার্থীদের মধ্যে চারজন আইনজীবীও রয়েছেন। এদের মধ্যে রাজশাহী-২ আসনের এলডিপির প্রার্থী মো. ওয়াহেদুজ্জামান এলএলবি, একই আসনে এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী সাঈদ নোমান এলএলবি, রাজশাহী-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তাজুল ইসলাম খান এমএ ও এলএলবি এবং রাজশাহী-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রায়হান কাওসার এলএলএম করেছেন।
তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। তবে রাজশাহীতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৩ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি।
আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন। এরপর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। প্রচার-প্রচারণা শেষে ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন
