

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সোমবার কানসাস সিটিতে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৯ জন আহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্বকাপ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোরের দিকে কানসাস সিটির ট্রুস্ট অ্যাভিনিউ ও ইস্ট স্ট্রিট এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলায় আহতদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
কানসাস সিটি পুলিশ বিভাগের প্রধান জেক বেকিনা জানিয়েছেন, আহতদের কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। প্রাথমিক তদন্তে এ হামলার সঙ্গে ফুটবল বা বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে কারণ কানসাস সিটিই বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া কয়েকটি দলের বেসক্যাম্পের অন্যতম কেন্দ্র। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড জাতীয় দলের নির্ধারিত অবস্থান ও অনুশীলন ভেন্যু এই শহরের কাছাকাছি এলাকায়।
বর্তমানে আর্জেন্টিনা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে টেক্সাসে অবস্থান করছে, আর ইংল্যান্ড রয়েছে ফ্লোরিডায়। ফলে হামলার সময় কোনো দল বা খেলোয়াড় ওই এলাকায় উপস্থিত ছিল না।
তবুও ঘটনাটি বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। ৪৮ দলের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বেসক্যাম্প স্থাপন করেছে। খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা এবং সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজক দেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়ে আসছে।
তবে কানসাস সিটির এই হামলা দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আয়োজনের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কঠোর ও কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে। টুর্নামেন্ট যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা ইস্যু আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
