

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর লেবাননে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
সোমবার (২ মার্চ) লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তর ইসরাইলে বড় ধরনের রকেট হামলার পর লেবাননজুড়ে গোষ্ঠীটির অবকাঠামো ও ঘাঁটিতে আঘাত হানা হচ্ছে। ইসরাইলের দাবি, তাদের রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি দাহিয়েহ এলাকায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ওই অঞ্চলটি হিজবুল্লাহর প্রভাববলয় হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি যুদ্ধবিমান সেখানে ধারাবাহিকভাবে বোমাবর্ষণ করেছে।
এর আগে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফা-এর একটি সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটির বক্তব্য, এটি ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাব এবং তাদের নেতৃত্ব ও সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলার প্রতিক্রিয়া।
হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতার জবাব দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে এবং উপযুক্ত সময় ও স্থানে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। তারা আরও অভিযোগ করে, দীর্ঘ সময় ধরে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক চাপ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম দক্ষিণ লেবানন থেকে রকেট নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ দেশটির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে এবং নতুন করে সংঘাত উসকে দিতে পারে।
আঞ্চলিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের বিস্তার মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করবে উভয় পক্ষের পরবর্তী সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।
মন্তব্য করুন
