শুক্রবার
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে শিগগিরই বড় হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২০ এএম আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

খুব শিগগিরই ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের মাত্রা সাধারণ মার্কিনিদের ধারণার চেয়েও বড় হতে পারে এবং পরিস্থিতি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

এবারের হামলা কয়েক সপ্তাহব্যাপী চলতে পারে এবং তা হবে ব্যাপক ও বিস্তৃত, আগের সীমিত অভিযানের মতো নয়।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে

একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিতে পারে ইসরায়েল। দুই দেশ যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল ও বিমান হামলা চালাতে পারে, যা দেশটির সরকারের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। গত বছরের জুনে ইরান–ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও জড়িত ছিল এবং ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানের পরপরই সামরিক বিকল্প বিবেচনায় নেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও পরিস্থিতির পরিবর্তনে সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে কূটনৈতিক আলোচনা ও সামরিক প্রস্তুতি—দুই পথেই এগোয় ওয়াশিংটন। তবে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোয় সম্ভাব্য হামলার মাত্রা নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জের্ড ক্রুসনারের প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক হয়।

সূত্র মতে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানান আরাগচি। ফলে সমঝোতার সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এদিকে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের লক্ষ্য আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সরকারের পতন ঘটানো এবং ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা।

দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই হামলা শুরু হতে পারে—এমন পরিস্থিতি ধরে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা দাবি করেছেন, আপাতত বিমান হামলার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ। পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে বলে কূটনৈতিক ও সামরিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X