

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনার সম্ভাবনার মধ্যেই আরব সাগরে মার্কিন নৌ-বহরের কাছে একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, ড্রোনটি ‘আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে’ বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। পরে সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার আরব সাগরে অবস্থানরত আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের দিকে ইরানের একটি ড্রোন এগিয়ে এলে তা গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। ড্রোনটি ছিল ইরানের শাহেদ–১৩৯ মডেলের।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলা হয়, ড্রোনটি অজ্ঞাত উদ্দেশ্যে বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি মার্কিন এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান থেকে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।
সেন্টকমের মুখপাত্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, আব্রাহাম লিংকন থেকে উড্ডয়ন করা একটি এফ–৩৫সি যুদ্ধবিমান আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং রণতরী ও এতে থাকা নৌসদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোনটি ভূপাতিত করে।
এই ঘটনায় কোনো মার্কিন সেনা আহত হননি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগ কয়েকদিন থেকেই লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ইরানের প্রতি সতর্কতা দিয়ে বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ অঞ্চলটিতে পৌঁছানোর পরও যদি কোনো সমঝোতায় আসা না যায়, তাহলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে।
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে, তার সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ হলো আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ।
বিক্ষোভ চলাকালে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ না করলেও পরবর্তীতে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের ওপর পারমাণবিক ইস্যুতে চাপ বাড়ায় এবং ইরানের উপকূলের কাছে নৌবহর পাঠায়।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক ইস্যুতে ‘গুরুত্বপূর্ণভাবে আলোচনা করছে’। একই সময়ে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিও জানান, আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন

