

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা থামছে না। বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন, বিমান ও স্থল আক্রমণে প্রতিদিনই বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা।
স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আগ্রাসনে উপত্যকাটিতে মৃত্যু বেড়ে ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭০ হাজার ১০০ জন ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে।
আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে প্রতিদিনই নতুন হামলার শিকার হচ্ছে গাজা।
শনিবার ভোরে খান ইউনিসের পূর্ব দিকে বানী সুফাইলা অঞ্চলে ড্রোন হামলায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আল–ফারাবি স্কুলের কাছে সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হয়। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর জুমা ও ফাদি তামের আবু আসি নামে ওই দুই ভাইকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
শনিবার দিনজুড়ে গাজার বিভিন্ন স্থানে স্থল, নৌ ও আকাশ—তিন দিকেই ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণ চলে। চিকিৎসা সূত্র বলছে, খান ইউনিসের আল-কারারা এলাকায় গোলাবর্ষণে অন্তত তিনজন আহত হন। গাজা সিটির তুফফাহ এলাকায় এবং দক্ষিণের রাফাহ সীমান্তের পূর্বাংশেও বিমান হামলা চালানো হয়।
এর আগের দিন নাসের মেডিক্যাল কমপ্লেক্স জানিয়েছিল, বানী সুফাইলায় ইয়েলো লাইনের বাইরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন।
গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের মহাপরিচালক ইসমাইল আল–থাওয়াবতা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েল ৫৩৫ বার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
মন্তব্য করুন
