

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রথম বৈঠকের পর রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প’ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পও চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পূর্ববর্তী সরকারের কোনো বিদ্যমান প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। তবে ‘অযোগ্য ব্যক্তি, মৃত ব্যক্তি এবং অ-ভারতীয়দের’ তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রকৃত ভোক্তাদের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) আইন এবার রাজ্যে কার্যকর করা হবে। পূর্ববর্তী সরকার এ আইন কার্যকর করেনি বলে দাবি করা হয়।
এর আগে নতুন সরকার গঠনের পর পাঁচজন মন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করেছে বিজেপি। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, অগ্নিমিত্রা পাল এবং নিসিথ প্রামাণিককে নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দিলীপ ঘোষকে গ্রামীণ উন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বনগাঁ উত্তর আসনের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়াকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডুকে অনগ্রসর-শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আসানসোল উত্তর আসনের বিধায়ক ও দলের পরিচিত নারী মুখ অগ্নিমিত্রা পালকে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাথাভাঙ্গার বিধায়ক এবং সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিসিথ প্রামাণিককে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন, ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে, যেখানে দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।
