

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কয়েক দিনের আলোচনার পর অবশেষে একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরায়েল ও লেবানন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ জুন)) এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটনের স্টেট ডিপার্টমেন্টে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিতে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদ ও ইসরায়েলের প্রতিনিধি ইয়েহিয়েল লেইটার স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘আজ আমরা একটি দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রার প্রথম ধাপ নিয়েছি। এটি নিঃসন্দেহে কঠিন, তবে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য পদক্ষেপ।’
চলতি বছর ২ মার্চ ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। ওইদিন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালায় বলে জানায়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলায় লেবাননে ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মাওয়াদ বলেন, এই কাঠামো চুক্তি লেবাননের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, জনগণকে নিজ ভূমিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া এবং শান্তি ও নিরাপত্তার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ।
ইসরায়েলি প্রতিনিধি ইয়েহিয়েল লেইটার বলেন, ‘এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে ইরান ও হিজবুল্লাহ বাইরে, আর ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তির পথ সামনে এসেছে।’
উল্লেখ্য, নতুন এ চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। এটি ১৬ এপ্রিলের পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতির চুক্তি থেকে কীভাবে ভিন্ন, তাও স্পষ্ট করা হয়নি।
