

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইন্দোনেশিয়া সরকার ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তথ্য বিবিসি
দেশটির যোগাযোগ ও ডিজিটাল বিষয়ক মন্ত্রী মেউত্যা হাফিদ জানান, আগামী ২৮ মার্চ থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট “উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে বিবেচিত প্ল্যাটফর্মগুলোতে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এই তালিকায় রয়েছে ইউটিউব, টিকটক, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, থ্রেডস, এক্স, বিগো লাইভ এবং রোবলক্স।
মন্ত্রী বলেন, “আমাদের শিশুরা এখন অনলাইনে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে পর্নোগ্রাফি, সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা আসক্তি।”
সরকারের মতে, এই নীতিমালা কার্যকর হলে ইন্দোনেশিয়া পশ্চিমা দেশের বাইরে প্রথম দেশ হবে যেখানে বয়স অনুযায়ী শিশুদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে।
শিশু অধিকার সংস্থা ইউনিসেফ-এর ২০২৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, ইন্দোনেশিয়ার জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক শিশু সোশ্যাল মিডিয়ায় যৌনধর্মী ছবি বা কনটেন্ট দেখেছে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু সমালোচনাও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স যাচাইয়ের জন্য শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে হতে পারে, যা গোপনীয়তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি শিশুদের তথ্যপ্রাপ্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা জরুরি বলে তারা মনে করছেন।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করার উদ্যোগ নেয়। এছাড়া জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশও একই ধরনের নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করছে।
ইন্দোনেশিয়া এর আগেও অনলাইনে পর্নোগ্রাফি ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে গোরক, অনলিফ্যানস এবং পর্নহাবসহ কয়েকটি ওয়েবসাইট দেশটিতে ব্লক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
