

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে মাত্র দুই ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় বাংলাদেশের মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচ খেলার সাম্প্রতিক হার বিবেচনায় ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যত প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে রাখবে আল-আমিনকে। বাংলাদেশের ফুটবলে এত দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার নজির খুবই বিরল।
এর আগে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে রেফারিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ দলের তৎকালীন অধিনায়ক ইলিয়াস হোসেনকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময়ের নিষেধাজ্ঞার দিক থেকে আল-আমিনের শাস্তি তাই বাংলাদেশের ফুটবলে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা আল-আমিনের জন্য নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। ২০২০-২১ মৌসুমে তিনি প্রিমিয়ার লিগের দল আরামবাগ ক্রীড়া সংঘে খেলেছিলেন। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে আরামবাগকে নিষিদ্ধ করার পর কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে আল-আমিনকেও এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ আয়োজন করেছিল দেশটি। গত ৭ জুন রাতে স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের বাঁচা–মরার ম্যাচ ছিল সেটি। সেই ম্যাচে শুরু হয় ব্যাপক হট্টগোল। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় উত্তেজনা, যা পরে গড়ায় হাতাহাতি ও মারামারিতে। এক পর্যায়ে লাল কার্ড দেখেন বাংলাদেশের আল-আমিন ও মিরাজুল।
যোগ করা সময়ে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল। বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গে মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে লাল কার্ড পান ফরোয়ার্ড আল-আমিন। ওই সময় রাগ ধরে রাখতে না পেরে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে বসেন তিনি। ওই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়।


