

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অপেক্ষাটা ছিল দীর্ঘ ২৮ বছরের। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েই নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করল নরওয়ে। আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে সেনেগালকে ৩–২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ইউরোপের দলটি।
গ্রুপ ‘আই’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রথমার্ধের শেষ দিকে। ৪৩তম মিনিটে নরওয়েকে এগিয়ে দেন মার্কাস পেডারসেন। সেনেগালের ডিফেন্সের ভুল কাজে লাগিয়ে গোল করে দলকে স্বস্তি এনে দেন তিনি।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় নরওয়ে। ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন হালান্ড। তবে ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি সেনেগাল। ৫৪ মিনিটে জেকবসের গোল ম্যাচে ফেরে তারা।
ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে ডি-বক্সে জটলার মধ্য থেকে আবারও সেনেগাল গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন হালান্ড। তখন মনে হচ্ছিল, সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে নরওয়ে। তবে হাল ছাড়েনি সেনেগাল। তৃতীয় গোল হজমের পর একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় সাদিও মানেরা। তার ফল পেতে বেশি দেরি হয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে একটি গোল শোধ দেয় সেনেগাল। তবে ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিলো। ৩-২ গোলে জয় পায় নরওয়ে।
এই জয়ে শুধু তিন পয়েন্টই পায়নি নরওয়ে, নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিটও। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ ২৮ বছর বিশ্বকাপের মূল পর্বে দেখা যায়নি দলটিকে। ফিরে এসেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করে নরওয়ে লিখেছে নতুন ইতিহাস।
