

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দেকে হয়তো অনেকে আন্ডারডগ হিসেবেই দেখেছিল। কিন্তু দুই ম্যাচের পর সেই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে। প্রথম ম্যাচে স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেওয়ার পর এবার দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল উরুগুয়ের বিপক্ষেও হার মানেনি আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্রটি। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করেছে দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই কেপ ভার্দে দেখিয়েছে তারা শুধু রক্ষণ সামলাতে মাঠে নামেনি। ২১ মিনিটে কেভিন পিনার বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক থেকে এগিয়ে যায় দলটি। উরুগুয়ের রক্ষণভাগ তখন যেন পুরোপুরি অপ্রস্তুত।
তবে অভিজ্ঞতার জোরে ম্যাচে ফিরে আসে উরুগুয়ে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয় মার্সেলো বিয়েলসার দল। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরান ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। যোগ করা সময়ে আগুস্তিন কানোব্বিওর গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় উরুগুয়ে।
মনে হচ্ছিল ম্যাচটি হয়তো তাদের নিয়ন্ত্রণেই চলে গেছে। কিন্তু কেপ ভার্দে হার মানার দল নয়। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে তারা। ৬১ মিনিটে হেলিও ভারেলা সুযোগ কাজে লাগিয়ে উরুগুয়ের জালে বল জড়ান। গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার ভুলের সুযোগ নিয়ে সমতায় ফেরে কেপ ভার্দে।
শেষ আধাঘণ্টা দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া চেষ্টা করেছে। উরুগুয়ে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও কেপ ভার্দের রক্ষণ ছিল দৃঢ়। একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে তারা নিশ্চিত করে আরেকটি মূল্যবান পয়েন্ট।
টানা দ্বিতীয় ড্রয়ে উরুগুয়ের নকআউট পর্বের পথ কিছুটা কঠিন হয়ে গেল। গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে এখন তাদের জন্য বড় পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে।
