

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আরেকটি সাফ শিরোপা জয়ের খুব কাছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নেপালের পোখরায় আজ ফাইনালে প্রতিপক্ষ ভারতকে হারাতে পারলেই টুর্নামেন্টের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশের মেয়েরা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নেপালের অন্নপূর্ণার পাদদেশে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল সোয়া ৩টায়।
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি আসরে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মোত। পুরো টুর্নামেন্টে আক্রমণাত্মক ও নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলেছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
সাফের বয়স ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের এবারের আসরে এখন পর্যন্ত ১৮টি গোল করেছে বাংলাদেশ। ভুটানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি শক্তিশালী ভারত ও স্বাগতিক নেপালের জালেও ছয়টি করে গোল দিয়েছে দলটি। এই ধারাবাহিকতায় ফাইনালেও বাংলাদেশকে ফেবারিট ধরা হচ্ছে। ফাইনালের আগে দলের মনোবল চাঙা রাখতে ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করেছেন বাফুফে নারী উইং চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। তিনি মনে করেন, বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সাফল্য এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ধারাবাহিক।
গণমাধ্যমে কিরণ বলেন, ২০২২ ও ২০২৪ সালে টানা সাফ শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। ফুটসালেও সাফল্য এসেছে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবারও ভারতের বিপক্ষে ভালো ফল করবে দল।
তবে পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে পোখারার মাঠের অবস্থা। অনুশীলন ও ম্যাচ চলাকালে একাধিক ফুটবলার চোটে পড়েছেন। ফাইনালে তাদের কারও কারও খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে শেষ ম্যাচে একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ পিটার বাটলার।
তবু এসবকে অজুহাত হিসেবে দেখছেন না তিনি। বাটলারের মতে, ভারতের শক্তি সম্পর্কে তাঁর পরিষ্কার ধারণা আছে। ভালো খেলোয়াড় থাকলেও বাংলাদেশকে নিজেদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এড়িয়ে বাস্তবসম্মত মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামার কথাও বলেছেন তিনি।
এর আগে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দুবার ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ। দুটিতেই প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ–ভারত যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হয়। আর ২০২১ আসরে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন

