

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন এক কীর্তি গড়েছেন লিওনেল মেসি। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনটি আলাদা ফাইনালে শুরুর একাদশে থাকা প্রথম ফুটবলার হয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
শুধু ব্যক্তিগত রেকর্ড নয়, দলের সামনেও রয়েছে ইতিহাসের হাতছানি। ইতালি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ এখন আর্জেন্টিনার সামনে।
মেসির আগের দুই ফাইনালের অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে হারলেও আট বছর পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বাদ পান তিনি।
এর আগে বিশ্বকাপের তিনটি ফাইনালে খেলার নজির ছিল শুধু ব্রাজিলের কাফুর। ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ সালের ফাইনালে খেলেছিলেন এই রাইট-ব্যাক। তবে ১৯৯৪ সালে ইতালির বিপক্ষে ফাইনালে তিনি শুরু করেননি, বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। সেই দিক থেকে মেসির অর্জন আরও অনন্য।
এদিকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও নতুন মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুই গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলসংখ্যা ২১-এ পৌঁছেছে। মেসি এখন সেই রেকর্ডের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন।
আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসির বিশ্বকাপ পরিসংখ্যানও অনন্য। গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে বিশ্বকাপে তাঁর অবদান ৩৩টি। পাশাপাশি তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যিনি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন দুইবার—২০১৪ ও ২০২২ সালে।
ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে এসেও মেসি যে একের পর এক ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখে চলেছেন, স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল তার আরেকটি বড় উদাহরণ।
