

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লর্ডস টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং দেখে বিস্মিত মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটাররা যেভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন, তাতে সাবেক ইংলিশ অধিনায়কের মনে হয়েছে, এটি কোনো টেস্ট দলের ব্যাটিং লাইনআপ নয়; বরং কাউন্টি ক্রিকেটের দ্বিতীয় বিভাগের কোনো দল।
লর্ডসে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৯০ রানে অলআউট করে পাকিস্তান। এরপর ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১০ রানেই শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন আজান আওয়াইস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সাউদ শাকিলের—১৬। আর কোনো পাকিস্তানি ব্যাটার ২০ রানের কাছাকাছিও যেতে পারেননি।
পাকিস্তানের এমন অসহায় ব্যাটিং দেখে ভনের বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে বিবিসির ‘টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল’-এ। তার মতে, টেস্ট ক্রিকেটের মানদণ্ডে পাকিস্তানের ব্যাটিংকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে না।
ভন বলেন, ‘এটা কি কাউন্টির দ্বিতীয় বিভাগের ক্রিকেট? কোনোভাবেই এই ব্যাটিংকে টেস্ট ম্যাচের ব্যাটিং লাইনআপ বলা যায় না।’
ইংল্যান্ডের বোলারদের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটারদের অসহায়ত্ব নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছেন ভন। তার মতে, পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে প্রায় কোনো পরীক্ষার মুখেই পড়তে হচ্ছে না। বরং প্রতিটি বোলারই যেন আত্মবিশ্বাস নিয়ে বল করার সুযোগ পাচ্ছেন, কারণ উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো সংশয় নেই।
পাকিস্তানের ব্যাটারদের আক্রমণাত্মক বা দায়িত্বজ্ঞানহীন শট বাছাই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভন। তিনি বলেন, ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করার মতো কোনো ব্যাটারই পাকিস্তান দলে নেই। ফলে বোলারদের জন্য প্রতিটি ওভারই হয়ে উঠছে উইকেট পাওয়ার নতুন সুযোগ।
ভনের বলেন, পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের বোলারদের যেন ভাবতে হচ্ছে, ‘কে উইকেট নিতে চান?’
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের হাতে। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের লিড বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬১ রানে। হাতে রয়েছে আরও ৭ উইকেট। ফলে চতুর্থ দিনে পাকিস্তানের সামনে ম্যাচে ফিরতে হলে শুধু ব্যাটিং ব্যর্থতার স্মৃতি পেছনে ফেললেই হবে না, ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসও দ্রুত শেষ করার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে।


