

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নতুন পে স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আসবেন কিনা, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
পে-স্কেলে প্রায় পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত হবেন কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা এখন বলতে পারছি না। এ সম্বন্ধে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে যখন তা হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘বেতন ও চাকরি কমিশন, ২০২৬’ এবং এ-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশের আলোকে নতুন বেতন স্কেল ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে মূল বেতন মোট তিন ধাপে কার্যকর হবে। আর বেতন-ভাতার অন্যান্য সুবিধা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন বেতন স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের মধ্যে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। প্রথম গ্রেডে নির্ধারিত মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হয়েছে। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।
তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল হয়নি। অথচ সাধারণভাবে পাঁচ বছর পরপর বেতন স্কেল পরিবর্তনের কথা। দীর্ঘ সময় বেতন না বাড়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান কমে গেছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।


