

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করেছে টাইগাররা। এতে জয়ের জন্য পাকিস্তানকে করতে হবে ২৬৮ রান।
মঙ্গলবার (১২ মে) ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেরা শুরু করে বাংলাদেশ। তবে প্রথম সেশনে কোনোভাবেই আশানুরূপ হয়নি টাইগারদের। একে একে ফিরে গেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক, লিটন দাসরা। তখনো একপ্রান্তে আগলে রাখছিলেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত।
৬৮ তম ওভারে নোমান আলীর প্রথম বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে পুরোপুরি পরাস্ত হলেন। বল গিয়ে আঘাত হানে তার প্যাডে। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। আরেকটা সেঞ্চুরি করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ১৫০ বলে ৮৭ রানে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্তর বিদায়ের পরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। যদিও মিরপুর টেস্ট বাঁচাতে বড় লিডের বিকল্প নেই। নবম ব্যাটার তাসকিন আহমেদের বিদায়ের পর ৯ উইকেটে ২৪০ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে স্বাগতিকরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে লিড ২৬৭ রানের। অর্থাৎ জয়ের জন্য এখনো গোটা দুই সেশন ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাবে পাকিস্তান। অবশ্য যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে!
মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে ২০৯ রানের বেশি তাড়া করে জিততে পারেনি কোনো দল। ২০১০ সালে বাংলাদেশের দেওয়া ২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৯ উইকেটে জেতে ইংল্যান্ড।
৫০.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিলেন নাজমুল ও মুশফিক। আজ শেষ দিনে সকালের সেশনে ৮৮ রানে হারিয়েছে ৬ উইকেট। ইনিংস ঘোষণার আগে আজ ২১ ওভার ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করেছে ৭০.৩ ওভার।
সকালের সেশনে একটু থিতু হওয়ার পর তাড়াহুড়ো করে রান তোলার চেষ্টা করেন ব্যাটসম্যানরা। ৮৭ রানে আউট হন নাজমুল। মিরাজ ২৪ ও মুশফিক ২২ রান করেন। পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন হাসান আলী ও নোমান আলী।
