

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রকাশের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।
সোমবার (১১ মে) রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৩০ দশমিক ৪৯ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারসও ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৭৪০ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়ায়।
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন দাম কমার পর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা দেখাচ্ছেন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বুধবার প্রকাশ পাবে প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (পিপিআই)।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। সম্ভাব্য মুদ্রাস্ফীতির চাপের কারণে ২০২৬ সালে সুদহার কমানোর পূর্বাভাসও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। উচ্চ সুদের হার সাধারণত স্বর্ণের মতো আয়হীন সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
অন্যদিকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এটি জ্বালানি তেলের দামের পাশাপাশি স্বর্ণের বাজারেও প্রভাব ফেলছে।
বিনিয়োগকারীরা এখন হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখছেন, কারণ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে উত্তেজনা বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে।
এসময় স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুরও দাম বাড়তে দেখা গেছে। রূপার দাম ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৪ দশমিক ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও যথাক্রমে ২ দশমিক ৬ শতাংশ ও ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
