

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৮ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয় লাল-সবুজের যুবারা। ম্যাচের বড় একটি সময় এগিয়ে থেকেও শেষ দিকে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে হার মানতে হয় দলটিকে।
বৃষ্টির কারণে সংশোধিত লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ২৯ ওভারে করতে হতো ১৬৫ রান। ইনিংসের শুরুটা আশাব্যঞ্জকই ছিল। ১৭.২ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ৯০ রান, তখন উইকেট হারানো হয়েছিল মাত্র দুটি। হাতে ছিল পর্যাপ্ত সময়, দরকার ছিল ৭০ বলে ৭৫ রান।
কিন্তু এখান থেকেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। তুলনামূলক সহজ রানরেটের চাপেই হয়তো তাড়াহুড়ো শুরু করেন ব্যাটাররা। ফলস্বরূপ দ্রুত রান আসেনি, বরং অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। মাত্র ৪০ রানের ব্যবধানে পড়ে যায় শেষ আটটি উইকেট। শেষ পর্যন্ত ২৮.৩ ওভারে ১৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় ইনিংস।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে রিফাত বেগের সঙ্গে তার ৬৮ রানের জুটি ম্যাচে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে এনে দিয়েছিল। রিফাতের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান।
তবে বৃষ্টির বিরতির পর ব্যাটিংয়ের ছন্দ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। ভারতের অফস্পিনার বিহান মালহোত্রা দুর্দান্ত বোলিং করে ১৪ রানে চারটি উইকেট তুলে নেন। মিডল ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা কেউই উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভারত সংগ্রহ করে ৪৮.৪ ওভারে ২৩৮ রান। দলের হয়ে অভিজ্ঞান কুন্ডু করেন ৮০ রান, আর বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাট থেকে আসে ৭২ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আল ফাহাদ। তিনি পাঁচ উইকেট শিকার করেন। ইনিংসের শুরুতে দুইটি এবং শেষ দিকে ফিরে এসে আরও তিনটি উইকেট নেন তিনি। তবে তার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সও দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেনি। ব্যতিক্রমী এই পারফরম্যান্সের পরও তিনি থেকে গেলেন ম্যাচের ট্র্যাজিক নায়ক।
গ্রুপ ‘বি’-তে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে সেই লড়াই।
মন্তব্য করুন

