

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ একটি আয়াত হলো সুরা বাকারাহর ২৫৫ নম্বর আয়াত। যেটি আয়াতুল কুরসি নামে ব্যাপক পরিচিত। রাসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর এ আয়াত পাঠ করবে, জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া তার আর কোনো বাধা থাকবে না। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১০০)
অন্য হাদিসে এই আয়াতের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে এভাবে—হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতিটি বস্তুরই চূড়া আছে। কুরআনের সর্বোচ্চ চূড়া হলো সূরা আল-বাকারাহ। এতে এমন একটি আয়াত আছে, যা কুরআনের আয়াতসমূহের প্রধান। তা হলো আয়াতুল কুরসি। (জামে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৭৮)
আয়াতুল কুরসির বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম মিন ইল মিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলি ইয়ুল আজিম।
আয়াতুল কুরসির বাংলা অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি (সিংহাসন) সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।


