

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রমজানে সাহরি, ইফতার ও রাতের নামাজের কারণে ঘুমের সময় ভেঙে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর দুর্বল হয়, মনোযোগ কমে যায় এবং রোজার শক্তি বজায় রাখা কঠিন হয়। তাই ঘুমের সঠিক পরিমাণ ও সময় নিশ্চিত করা জরুরি।
১. প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ঘুমের পরিমাণ
সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৭–৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।
রোজার দিনে পুরো রাতের ঘুম সহজে পাওয়া যায় না, তাই দিনের ছোট ঘুম (Power Nap) সহ ৬–৭ ঘণ্টাও যথেষ্ট হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ রোজা অবস্থায় ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা বুঝবেন কীভাবে?
২. ঘুমের ভাগ ও সময়সূচি
রাতের ঘুম: ইফতার ও তারাবির নামাজ শেষে ৪–৫ ঘণ্টা।
সাহরি পূর্বের ঘুম: রাতের শেষ সময়ে ১–২ ঘণ্টা।
দুপুরের ছোট ঘুম: ২০–৩০ মিনিটের হালকা ঘুম, ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণা দেখিয়েছে, দীর্ঘদিন অপ্রচলিত ঘুমের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মনোযোগ কমে। তাই দিনে ছোট ঘুম নিলে ঘুমের ঘাটতি পূরণ হয়।
৩. ঘুমের মান উন্নত করার টিপস
নিয়মিত সময় রাখুন: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান।
আরও পড়ুনঃ রমজানে ধূমপান ছাড়ার বৈজ্ঞানিক ও সহজ কৌশল।
হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান: ভারী খাবার ঘুমের মান খারাপ করে।
পরিবেশ সুবিধাজনক রাখুন: ঘর অন্ধকার, শান্ত ও হালকা কুলিং বা ফ্যান রাখুন।
ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহার কমান: ঘুমের আগে স্ক্রিনের আলো কমানো ভালো।
৪. ছোট ঘুমের সুবিধা
রোজার দিনে শক্তি বৃদ্ধি করে।
মনোযোগ ও ধৈর্য বজায় রাখে।
ইফতারের পরে শরীরের ক্লান্তি কমায়।
আরও পড়ুনঃ হার্টের রিং পরানো বা বাইপাস করা রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবেন?
উপসংহার
রোজার দিনে প্রাপ্তবয়স্করা যদি রাতের ঘুম ৪–৫ ঘণ্টা, সাহরির আগে ১–২ ঘণ্টা এবং দুপুরে ২০–৩০ মিনিটের হালকা ঘুম নিশ্চিত করেন, তাহলে শরীর সতেজ থাকে, মনোযোগ থাকে এবং রোজার শক্তি বজায় থাকে। ঘুমের এই ভাগ ও মান রোজার স্বাস্থ্য ও ইবাদতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন

