বুধবার
১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪০০ গজের মোবাইল নিষেধাজ্ঞা অগণতান্ত্রিক: সাদিক কায়েম

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:০০ পিএম
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম
expand
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

আজ সোমবার দুপুর ৩ টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। সে কারণে এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়ে একটি উৎসবমুখর আমেজ তৈরি হয়েছে, কিন্তু সেই আমেজ নষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অপপ্রয়াস ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত একটি অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশকে নষ্ট করছে। নির্বাচন একটি উৎসব। মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবে এবং সেই আনন্দ উদযাপন করবে।

ডাকসুর ভিপি বলেন, অতীতেও এ ধরনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে জনগণকে বিমুখ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং কেন্দ্রের ভেতরে কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন বাস্তবায়নের অপচেষ্টা দেখা গেছে, যা ২০১৮ সালেও ঘটেছিল।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে কেউ যদি এ ধরনের কারচুপি নির্বাচন করতে চায়, তাহলে জুলাই প্রজন্ম ও বাংলাদেশের তরুণরা তা হতে দেবে না।

সাদিক কায়েম জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে তারা স্পষ্টভাবে দাবি জানিয়েছেন ৪০০ গজের মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞা বাতিল করতে হবে। নির্বাচন কমিশনার তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হবে এবং খুব দ্রুত নতুন প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

বিএনসিসি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনসিসি প্রতিটি ক্যাম্পাসে একটি সুসংগঠিত ও প্রশিক্ষিত ফোর্স। পূর্ববর্তী ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে বিএনসিসির সদস্যরা অত্যন্ত প্রফেশনাল আচরণ করেছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ওয়াচডগের ভূমিকা পালন করেছে। আনসারের তুলনায় বিএনসিসির ট্রেনিং ও প্রফেশনাল আচরণ বেশি সুসংগঠিত।

এ কারণে বিএনসিসিকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন