

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রাম নগরের কাট্টলী এলাকায় সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে তিনি ওই বাসায় যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
তিনি কেন এই সাবেক মেয়রের বাড়িতে এসেছেন, তার সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও সামনের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনজুর আলমকে এনসিপির প্রার্থী করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করতেই হাসনাত আবদুল্লাহ এসেছিলেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
তিনি কেন সেখানে গিয়েছিলেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা না গেলেও একটি সূত্র জানায়, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করতেই এই সফর হতে পারে।
ঘটনার একপর্যায়ে বাসার পক্ষ থেকে তার উপস্থিতির বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করা হয়। পরে তিনি নিজেই বাইরে এসে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
যুবদলের স্থানীয় এক নেতা জানান, ‘আমরা হাসনাত আবদুল্লাহকে তাঁর ভারত ও আওয়ামীবিরোধী অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানতে চাই, তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এম মনজুর আলমের বাসায় কেন এসেছেন? তিনিও এ ক্ষেত্রে আমাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। আমরা বললাম, আপনি জুলাই আন্দোলনে একজন অগ্রসৈনিক হিসেবে আমাদের সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মানুষ। কিন্তু আপনি এখানে আসলেন কেন? এভাবে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সন্ধ্যার সময় তাঁকে আমরা সসম্মানে মূল রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দিই। এরপর তিনি চলে যান।’
জানা গেছে, মনজুর আলম তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে কাট্টলী থেকে বেশ কয়েকবার আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর তিনি ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তাঁর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আবারও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা শুরু করেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের কথাবার্তা শুরু হলে তিনি আবারও মেয়র পদে নির্বাচন করবেন বলে আলোচনায় আসেন। এই অবস্থায় হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বাড়িতে এলেন।
এ বিষয়ে এনসিপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন
