

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সাধুবাদ জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল এবং নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও কৃষিক্ষেত্রে নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, জমির উর্বরতা বজায় রাখা এবং বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থাকায় ঘনঘন বন্যা ও দুর্ভোগ তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন কারণে দেশের নদ-নদী, খাল ও বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রভাব এবং বিভিন্ন নদী ও জলাশয় ভরাট হওয়ার ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকালবন্যা দেখা দেয়, আবার শুকনো মৌসুমে অনেক নদী মরুভূমির মতো হয়ে পড়ে।
জামায়াত আমির বলেন, বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক সময় বড় শহরগুলোও জলাবদ্ধতার শিকার হয়। অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে নৌ-চলাচল ও কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানির অভাব দেখা দেয়।
তিনি আর বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং করে নাব্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। নদ-নদীর জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে অতীতে ড্রেজিং, নদীশাসন ও নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ছাড়া উন্নয়ন কার্যক্রমের সফলতা সম্ভব নয়। দেশবাসীর আমানত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব।
জামায়াত আমির বলেন, খাল খননের প্রকৃত সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন দেশের নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে এবং নাব্য ফিরে আসবে। অন্যথায় শুধু খাল খনন করে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবে না।
মন্তব্য করুন
