

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আসন পেয়ে সংসদের প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচনে দলটি ৬৮টি আসন লাভ করেছে।
পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। ভবিষ্যতে উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সংখ্যানুপাতিক ভিত্তিতে সেখানে ৩০টির বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে, যদিও এ সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে মতপার্থক্য রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দলটির ভেতরে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে- সংরক্ষিত নারী আসন ও সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে কারা প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও মজলিসে শূরা সদস্যদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
দলটির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জামায়াত নিজেদের একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচালনা করে, যেখানে সাংগঠনিক কাঠামো ও পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কারণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে সংসদে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। দলের নীতিমতে, একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে সংসদে পাঠানো হবে না।
এই নীতির কারণে ইতোমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে- কোনো পরিবারে যদি একজন সদস্য সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হন, তাহলে সেই পরিবারের অন্য কেউ সংরক্ষিত নারী আসন বা সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে মনোনয়ন পাবেন না। দলটির মহিলা বিভাগেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
ফলে সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা কিছু নেত্রীর ক্ষেত্রে এ নীতির প্রভাব পড়তে পারে বলে জানা গেছে। এমনকি যেসব সংসদ সদস্যের স্ত্রী দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সদস্য, তারাও সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার সুযোগ পাবেন না।
মন্তব্য করুন
