

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এ সময় তারা শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও প্রামাণ্য দলিল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে জমা দিয়ে বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে ভোট বন্ধের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ আবেদন করা হয়। সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।
তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের অন্তত ৩০টি কেন্দ্র থেকে শুরুতেই এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রার্থী অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন শফিকুল আলম একজন প্রবীণ শিক্ষাবিদ। তিনি নিজে লিখিত আবেদন দিয়ে ভোট বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। আমরা সেই আবেদনের কপি সিইসিকে দিয়েছি। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুয়াপুর) আসনের অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনের বেলাব পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সহায়তায় জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে প্রার্থীকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ঝালকাঠি, পাথরঘাটা এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জেও একই ধরনের সংঘাত ও কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া শরীয়তপুরের বিভিন্ন আসনেও এজেন্টদের প্রবেশে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিইসি ও অন্যান্য কমিশনাররা আমাদের কথা ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। তারা জানিয়েছেন, এখনই জরুরি বৈঠকে বসে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আমরা চাই একটি পরিচ্ছন্ন ফলাফল, যা নিয়ে জাতির মনে কোনো প্রশ্ন থাকবে না।
মন্তব্য করুন
